নওগাঁর বদলগাছীতে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের পর অভিযানে শিথিলতার অভিযোগে দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক (এসআই) অসিত কুমারকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করা হয়েছে।
আসামিকে প্রথম দফায় গ্রেপ্তারের সুযোগ পেয়েও পালিয়ে যেতে দেওয়ার অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম রাকিবুল হাসান। তিনি বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি।
পুলিশ জানায়, একটি সিআর মামলায় (নম্বর ২২২/২৫) তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে আক্কেলপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করে বদলগাছী থানা পুলিশ। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এসআই অসিত কুমার। এর আগে উপজেলার ভান্ডারপুর বাজারে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হলে তিনি একটি মোটরসাইকেলে চড়ে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে গভীর রাতে পুনরায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে এসআই অসিত কুমার জানান, পরোয়ানা থাকায় রাকিবুলকে ধরতে একাধিকবার চেষ্টা চালানো হয়। ভান্ডারপুর বাজারে প্রথম দফায় ধরতে না পারলেও পরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে প্রথম দফায় তাকে ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার একটি অভিযোগ ওঠার কথা শুনলেও কে বা কারা এমন অভিযোগ করেছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানেন না বলে জানান তিনি। আসামি গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে অভিযুক্ত রাকিবুলের মা রেহেনা পারভিন জানান, পুলিশ তার ছেলেকে বাড়ি থেকেই ধরে নিয়ে গেছে। তবে লেনদেন বা অসদাচরণের বিষয়ে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি বলে দাবি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, প্রথম অভিযানে আসামিকে পেয়েও ছেড়ে দেওয়া বা পালিয়ে যেতে দেওয়ার একটি অভিযোগ পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছানোর পর এসআই অসিত কুমারকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সার্বিক বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয় কোনো আলোচনা বা গুঞ্জনের কারণে নয়, বরং অর্পিত দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রথমবার অভিযানের সময় আসামিকে গ্রেপ্তারের সুযোগ থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অসাবধানতার কারণে সে পালিয়ে যায়। কর্তব্যে এমন শিথিলতার জন্যই এসআই অসিতকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে অবশ্য তিনি নিজেই ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করেন।v
আসামিকে প্রথম দফায় গ্রেপ্তারের সুযোগ পেয়েও পালিয়ে যেতে দেওয়ার অভিযোগে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম রাকিবুল হাসান। তিনি বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের আক্কেলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং উপজেলা ছাত্রলীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি।
পুলিশ জানায়, একটি সিআর মামলায় (নম্বর ২২২/২৫) তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে আক্কেলপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করে বদলগাছী থানা পুলিশ। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এসআই অসিত কুমার। এর আগে উপজেলার ভান্ডারপুর বাজারে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হলে তিনি একটি মোটরসাইকেলে চড়ে সটকে পড়েন। পরবর্তীতে গভীর রাতে পুনরায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে এসআই অসিত কুমার জানান, পরোয়ানা থাকায় রাকিবুলকে ধরতে একাধিকবার চেষ্টা চালানো হয়। ভান্ডারপুর বাজারে প্রথম দফায় ধরতে না পারলেও পরে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তবে প্রথম দফায় তাকে ধরে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার একটি অভিযোগ ওঠার কথা শুনলেও কে বা কারা এমন অভিযোগ করেছেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানেন না বলে জানান তিনি। আসামি গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে অভিযুক্ত রাকিবুলের মা রেহেনা পারভিন জানান, পুলিশ তার ছেলেকে বাড়ি থেকেই ধরে নিয়ে গেছে। তবে লেনদেন বা অসদাচরণের বিষয়ে তিনি পুলিশ সুপারের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি বলে দাবি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, প্রথম অভিযানে আসামিকে পেয়েও ছেড়ে দেওয়া বা পালিয়ে যেতে দেওয়ার একটি অভিযোগ পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছানোর পর এসআই অসিত কুমারকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সার্বিক বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয় কোনো আলোচনা বা গুঞ্জনের কারণে নয়, বরং অর্পিত দায়িত্বে অবহেলার কারণেই এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রথমবার অভিযানের সময় আসামিকে গ্রেপ্তারের সুযোগ থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অসাবধানতার কারণে সে পালিয়ে যায়। কর্তব্যে এমন শিথিলতার জন্যই এসআই অসিতকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে অবশ্য তিনি নিজেই ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করেন।v
প্রতিনিধি :